Interview – Mr. Asis Kumar Sanyal – April 2015

Interview – Mr. Asis Kumar Sanyal – April 2015

Asis Kumar Sanyal

Ace Photographer Mr. Asis Kumar Sanyal is a self-taught photographer. Photography is not his profession but a passion since his school days, which ultimately turned into an obsession as a result of which he took voluntary retirement from his Bank’s service in the year 2000. He has had no formal education in photography. However, he attended two National Geographic Photography Workshops under Mark Thiessen and Jim Richardson at Santa Fe, USA and San Miguel de Allende, Mexico respectively in 2008 as a part of his Grand Award in Intercontinental Insights Photo Contest, 2007. He also attended another photography workshop in LOOK3 Photo Festival, 2008 in Charlottesville, Virginia, USA under David Alan Harvey.

He likes most to photograph people in their natural environment so that each photograph can narrate its own story. Sometimes, he does make series of individual photographs which address social issues in larger perspectives. He lives in the City of Joy, Kolkata with his wife and only son.

We sincerely thank Asis’da for taking time off for Judging the “Street Photography Competition – April 2015” and the wonderful Interview session. The Interview session was conducted by Madhabendu Hensh, Argha Guha, Ritam Sarkar and Soumya Shankar Ghosal. SOC is sincerely thankful to Ritam Sarkar for his efforts to get this Interview documented.

 

  1. Your first encounter with Photography as a student was very interesting. Please share your experience with us.

– Look I had a hidden desire for drawing in my childhood. While studying at school I was a student of Science. Our Physics Teacher unconsciously left me in this table. One day when he showed us how to develop a photograph in the lab I was amazed by the magical photo developing technique and I fell in love with photography. And still now I’m walking with.

১. আলোকচিত্রী  হিসেবে আপনার যাত্রা শুরুর পর্যায়টা বেশ বর্ণময়, সে সম্পর্কে যদি রেখা্পাত করেন

– দ্যাখো ছেলেবেলা থেকেই ছবি আঁকার একটা সুপ্ত ইচ্ছে আমার ছিল, পরে স্কুলে পড়া কালীন বিঞ্জান বিভাগের ছাত্র হওয়ার দরুণ আমার ফিজিক্সের মাষ্টার মশাই নিজের অজান্তেই আমায় এই ছকে ফেলে দিয়েছিলেন, ল্যাবে যাদুকরের মত দেখিয়েছিলেন একটি বিশেষ তরলের সঙ্গে সাদা কাগজের সম্পর্ক কী ভাবে একটা ছবির জন্ম দেয়, আমি আকর্ষিত হই ও ছবি তোলার কথা বলি নিজেকে,  সেদিনের ওই মুহুর্তই আজও আমায় এ পথে হাঁটাচ্ছে …

  1. Your love for Photography is beyond words. You took a very difficult decision to quit your job as a Banker. How difficult was the decision?

– I don’t think so because ” I never particularly liked my job … I often bunked office on Monday, I thought it’s like extended Sunday”. I was a Bank employee. When I came to know first about the voluntary retirement scheme, I was quite happy, thinking that now I have an opportunity to leave my job behind, which was like a burden to me. I have to confess one thing that without my family’s support it was quite impossible for me to quit my job and for that I have my best regards towards my wife and son.

২. আপনার ছবিপ্রেমের কাছে শব্দ খেই হারায়, একজন ব্যাঙ্কার হয়েও আপনি চাকরী পর্বে দাড়িটানলেন রিট্যায়ারমেন্টের অনেক আগেই, কতোখানি শক্ত ছিল এই সিদ্ধান্ত ?

– এই সিদ্ধান্ত আমায় বিশেষ ভাবিয়েছে বা খুব কিছু শক্ত বলে আমি মনে করিনি, কারণ “চাকরী করতে আমার কোনোদিন-ই বিশেষ ভালো লাগতো না…আমি প্রায়শই সোমবার আফিস কাটতাম, এক্সটেন্ডেড রবিবার মনে করে… ” (তীব্র হাসি)

সংসার গন্ডীর বশবর্তী হওয়ায় স্বাভাবিক নিয়মেই রুজিরুটির কারণে আমি চাকরী করতে থাকি, ভলেণ্টারী রিট্যায়ারমেন্টের স্কিম সম্পর্কে যখন প্রথম জানতে পারি ভেতরে ভেতরে আমি বেশ খুশি-ই হয়েছিলাম, এই ভেবে যে যাক্ এবারে আমার একটা সুযোগ এসেছে চাকরীটা ছাড়ার, তবে একটা কথা বলতেই হবে আমার স্ত্রী ও পুত্র পাশে থাকায় আমি এটা করতে পেরেছিলাম, কারণ আমার অতি সাধারণ জীবনযাপনে আমি তাদের পাশে পেয়েছিলাম।

  1. You have traveled far and wide. However, the National Geographic Workshops as a part of National Geographic – Grand Award in Intercontinental Insights Photo Contest, 2007 was a big achievement. Could you please share about those experiences with us?

Fabulous!  I’m feeling  lucky  because I  was  a witness  of  that  great time. I can  never  forget  that  experience, and  it  is still like  a dream  to me.  I spent some valuable time with a few National Geographic masters. I  saw,  learned  and  came  to  know  about  lots of  things  from  them. The best thing I learned from them is humility. They were really helpful; they know how to treat the fellow photographers of any caliber as well as how to analyze a photograph. With  National geographic  I have  seen  a  world  which  is  beyond  my  words. Those days are still illuminating like my recent past.

Asis Sanyal 21

৩. ছবি আপনাকে টেনে বার করেছে দেশের বাইরে, আপনি ঘুরেছেনউড়েছেন বিভিন্ন প্রান্ত, ২০০৭এর   ‘ইন্টার কন্টিনেন্টাল ইনসাইট ফোটো কন্টেস্টের গ্রান্ড উইনার হিসেবে ন্যাশানালজিওগ্রাফির ওয়ার্কশপ তাদের সাথে কাটানো সময়ের খানিকটা যদি তুলে ধরেন

দুর্দান্ত সময়ের এক সাক্ষী থাকতে পেরে আমি যারপরোণাই খুশি ও ভাগ্যবান বলেই মনে করি, সময়টা স্বপ্নের মতো এখনো আমার কাছে, ন্যাশানালজিওগ্রাফির প্রখ্যাত কিছু ফোটোগ্রাফারদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমি ধণ্য। তাদের প্রদর্শনী, তাদের বিশ্লষণী দক্ষতা আমায় মুগ্ধ করেছে, আমি অনেক কিছু দেখেছি-শুনেছি-শিখেছি ও জেনেছি। তারা জানেন মানুষের কদর করতে আর দক্ষতার সাথে ভালো-মন্দ, গুনগত মান বুঝিয়ে দিতে, ন্যাশানালজিওগ্রাফির সুবাদে আমি পৃথিবীর এমন রুপ দেখছি যা কোন প্রকারেই ভোলার নয়, সেদিনের অতীত আমার মননে আজও সমুজ্বল।

  1. You love to photograph people in their natural environment. What draws you to people photography?

At the beginning like everyone I also liked to photograph the mountains, springs, nature, but over times I realized that people attract me more. I’m also a part of them. I try to capture the nature, the moods, the way of living, and people around us. Though we all are ‘Human Being’ but everyone is different in their own terms and conditions. It induced me to try to capture the nature, the moods, the way of living, people around us. I don’t know how much my camera could reflect so far, but yes, I always try to do so. Still I’m trying.

৪. আপনার ছবিতে বারবার মানুষ তাদের জড়িয়ে থাকা পারিপার্শ্বিক ঘটনা, সমাজ, জীবিকা আরো অন্যান প্রাত্যহিকতা ফিরে ফিরে আসে, ক্যানো মানুষ আপনাকে টানে বা কি কারণে এই জ্যনরের ছবির দিকে ঝুকলেন ?

– ছবিতোলার প্রথম পর্বে আর পাঁচজনের মতো আমিও পাহাড়, ঝরণা, প্রকৃতি সম্পর্কে দূর্বল ছিলাম, কিন্তু সময়ের পথ চলা আমায় এনে ফেললো মানব বাজারে। আমি উপলব্ধি করলাম মানুষ আমায় টানছে, আমরা প্রত্যকেটা মানুষ স্বভাব, চরিত্র ও অভিব্যক্তিগত ভাবে আলাদা, আমাদের চলন-বলন-কথার ধরণ পাল্টে যায় অদ্ভুত ভাবে যদিও আমরা প্রত্যেকেই মানুষ। আর মানিক বাবুর কথায় “… কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়…” তো রইলোই … জানিনা আমি কতোটা পারি তবুও, হ্যা, আমি বারবার মানুষজন ও তাদের জীবন সংগ্রাম-ই ধরতে চেয়েছি আমার ক্যামেরায়।

  1. Your work is amazing. However, one photograph I cannot forget is the diving Albino Sadhu at Haridwar. The photograph itself is a testament of your power to predict the next. Could you please share that experience.

There lies  a story.  You know, Hardiwar is a famous pilgrimage spot and it was Maha Khumbh; naturally it was very crowded. Lots of  photographers  were  there  just  like at  sixes  and  sevens  all over. I suddenly noticed one Albino Sadhu was trying  to get  into another shadhu’s back.  I  was  sure that  he will  jump from there,  but  I was  not  sure  in which  direction.  So immediately I fixed  my frame  and waited  because  I knew that  hardly I would get  a single chance  to  shoot.  Fortunately he jumped within the frame  and  I clicked. That’s it.

Asis Sanyal 20

৫. আপনার অনেক পরিচিত ছবির মধ্যে, হরিদ্বারের আলবেনীয় সাধুর ছবিটায়  অনেকের আপনার অনুমান সম্পর্কে কৌতুহল থাকায়, ছবিটার ইতিকথা জানতে চাইবো

অন্যরকম প্রশ্ন! সে কথা বলতে গেলে আগেই বলতে হয় প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শ্রী রঘু রাইয়ের কথা, ওনাকে বলতে শুনেছি ছবি তোলা যায় না ছবি হয়! ছবি তোলায় একাগ্রতা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যদি আমরা আমাদের পুরোটা দিতে পারি তাহলে ছবিটা তৈ্রী হয়ে যায়, হরিদ্বারের ক্ষেত্রেও তাই। স্বাভাবিক ভাবেই অনেক ফোটোগ্রাফারের ভীড়ে থাকা ঘাটে আমি অনেক দূর থেকে ছবি খোঁজার চেষ্টা করছিলাম, হঠাৎ দেখি এক স্বেতাঙ্গ সাধু অন্য এক সাধুর ঘাড়ে ওঠার চেষ্টা করছেন, আমি ধরেই নিয়েছিলাম উনি নিশ্চই কোনো একদিকে লাফাবেন, আমি ততক্ষনাত ক্যামেরাতে ফ্রেম রেডি করি এবং ভাবতেথাকি উনি যেদিকেই লাফাক আমি একটাই সুযোগ পাবো, জানি না কি ভাবে আমার অনুমেয় দিকেই উনি লাফিয়ে পড়েন এবং ছবিটা তৈরী হয়ে যায়… এখানে আমার কোনো হাত ছিলো না, ছিলো ছবির ক্ষিদে।

  1. You have traveled far and wide. Is there any incident that has been etched on your memory?

Yes, down the memory lane one incident I can never forget as long as I live. At the very beginning of my photography journey, I used to go to Gourdaha, a village in South 24-Parganas, with few friends very often; there we met a poor aged grandmother (lady), and whenever we went there she very fondly entertained us with tea and a pure smile as bonus. I thought she was very happy to do such things. I went through many opulent experiences but I always tried to find out that genuine smile like that of the old lady but I failed again and again. I hope she is doing well. If I get a chance I want to go back again.

৬. ছবি হাঁটে, হাটেবাজারে, আপনিও দেশে বিদেশে হেঁটেছেন, এমন কোনো অভিজ্ঞতা যেটা এখনো আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় স্মৃতির সরণীতে

(ভেবে নিয়ে) আসলে ছবি তুলতে গিয়ে প্রচুর ঘটনার মুখে দাঁড়াতে হয় আমাদের, যে গুলি পরে গল্পের মতো শোনায়। তেমনি এই মুহুর্তে আমার মনে পড়ছে আমার ছবিতোলা শুরুর গোড়ার দিকের একটা ঘটনা। আমরা কয়েকজন গৌড়দহে প্রায়শই ছবি তুলতে যেতাম সেই সময় ওখানের এক গরীব বৃদ্ধার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল, যিনি একগাল হাসি আর অনুপম ব্যাবহারে রীতিমত আমাদের  ঠাকুমা হয়ে বসেছিলেন। আমরা গেলেই আমাদের বসিয়ে চা খাওয়াতেন পরম আদরে, তাঁকে অনেক সুখি মনে হত আমার। আমার দেখা অনেকের বৈভবের ভিতরে আমি সেই ঠাকুমাকে খোঁজার চেষ্টা করেছি, পেতে চেয়েছি সেই অকৃত্রিম ভালবাসার স্বাদ, কিন্তু কোথায়?

আজ এতো দিন ফুরোনোর পরেও আমি ফিরে যেতে চাই সেখানে, আমার ঠাকুমা থাকেন যেখানে। উনি নিশ্চই ভালোই আছেন।

  1. How an amateur photographer will evaluate improvement of his or her shots over the period. During this novice stage we have a habit of clicking everything but again we click because we like it but now how to select (being non-bias) which of the frame is best maybe that can be a way to improvement. Your suggestion will really help as it will give us practical way to improve. – Shubhrangshu B Chowdhury

Look at the photographs as well as paintings of the masters regularly and try to find out the hidden story/beauty of those arts and continue to shoot regularly and honestly lots of your own shots. Time will teach you the rest.

৭. একজন অ্যামেচার ফোটোগ্রাফারের জন্য তার নিজের ছবির মূল্যায়ন করা বেশ কঠিন, পাশাপাশি ছবি তোলার ক্ষেত্রে ফ্রেম নির্বাচনও জটিল একটা বিষয়, শিক্ষানবীশদের এমত অবস্থায় কী কী করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

– সুভ্রাংশু বি. চৌধুরী

প্রথমত, সব রকমের ছবি দেখা অভ্যেস করা উচিত, তার অন্তর্নিহিত অর্থ ও সৌন্দর্য খোঁজার দিকে বিশেষ যত্নবান হতে হবে, পাশাপাশি নিজে নিয়মিত সততার সাথে স্বতন্ত্র ছবি তোলা তার মূ্ল্যায়নের চেষ্টা করা উচিত। বাকিটা সময়ের উপর।

  1. A few words of advice on amateurs who practice Street Photography.

Well it’s not my advice just a suggestion. Street Photography is all about passion and love, you either have it or you don’t. Remember you are in one of the toughest and most challenging genres of photography. Don’t expect anything in return; just live your passion and love. There is a difference between Like and Love. We know very well, Like can’t, but just Love, love can make things happen. That’s all I can say. Another point is many a time I find that there is a growing tendency of ‘rat race’ amongst a few young photographers in Kolkata. They try to create difficulties for other fellow photographers present at the spot. Don’t do it, rather try to help other. If you do your photography with love and passion, Time will make you a good photographer.

৮. নতুন স্ট্রীট ফোটোগ্রাফারদের উদ্দ্যেশ্যে দু’চার কথা…

আমার মতো করে বলতে গেলে, ভালোবেসে যদি ছবি তোলা যায় তবেই ছবি তোলা উচিৎ নইলে ভালোলাগাটা হারিয়ে যায়। ভালোবাসা আর ভাললাগার মধ্যের তফাৎটা আমাদের প্রত্যেকের-ই প্রায় জানা! সুতরাং এখান থেকে কোনো দাবী-দাবা না রেখে, পাওয়ার আশা সরিয়ে রেখেই ছবির সাথে সম্পর্ক করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। আরো একটা বিষয় আমি ইদানিং কোলকাতার কিছু সংখ্যক ফোটোগ্রাফারদের মধ্যে লক্ষ্য করছি, তারা রীতি মতো ইঁদুর দৌড়ে নেমে পড়েছে, তারা অন্যদের ছবি তোলার অন্তরায় হয়ে দাড়াচ্ছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে। আমার তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলা এই রুপ অদ্ভুত আচরণ থেকে বিরত থাকা, উপরন্তু ছবি তোলার ক্ষেত্রে অন্যদের সাহায্য করা। ভালোবাসা থাকলে সময় হাত বাড়াবে একজন ভালো ফোটোগ্রাফার হতে।

  1. How did your Project “Kholo Aankhi” come into existence?

I was thoroughly involved with the Trade Union of the Bank. After I took the voluntary retirement, along with a few of my fellow retired colleagues we decided should give back to the society. 12 of us formed a voluntary organization called – Kholo Aankhi. Our objective was creating to education opportunity for the underprivileged people. During my photography tours across several villages I realized the hardships faced by people yet they were happy with their lives. This was unbelievable. We try our best to work for them. At present at Chingrighata, we work for students from Class 1 to 5. Every evening for 2 hours these underprivileged children are helped with their studies. Additionally, we have a project called Sucharu – which it aimed towards helping the domestic helps of the city. These woman who can do additional work of Stitching etc. are being helped to market their products.

৯ আপনাদের খোলো আঁখি প্রজেক্ট-এর উদ্যোগ ও বাস্তবায়ন এর নেপথ্যের কিছু কথা জানতে চাইবো…

– আমি চাকরীতে থাকা কালীন ইউনিয়ন ব্যাঙ্কের ট্রেড ইউনিয়নের সাথে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত ছিলাম, ভলেণ্টারী রিট্যায়ারমেন্টের পর আমারা ১২ জন সহকর্মী মিলে এই ‘খোলো আঁখি-র’ ব্যাপারে উদ্যোগী হই। আমাদের উদ্দেশ্য প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত মানুষদের শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাহায্য করা। আমারা আমাদের সামর্থ মতো চেষ্টা করছি। ইদানিং আমরা চিংড়িঘাটাতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেনীর বাচ্চাদের পঠন পাঠনের ব্যাপারে উদ্দোগী হয়েছি।

এছাড়াও ‘সু-চারু’ নামে আরো একটা প্রোজেক্টে কাজ চলছে। আমাদের উদ্দেশ্য হাতের কাজ জানা মহিলাদের কাজ বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করিয়ে তাদের উপার্জনের ব্যাবস্থাপনা করা।

  1. Please share a few words on the project “Streets of Calcutta”.

It is indeed a wonderful initiative. Not only “Streets of Calcutta”, I think this kind of workshops and groups will help the new comers. In our time we didn’t have this kind of helping hands. So go ahead. My best wishes always with you. And never hesitate to ask me for the hands, as I love photography, I’m always with those who love photography.

১০. প্রোজেক্টস্ট্রীট অফ কোলকাতা উদ্যেশে যদি কিছু বলেন

শুধু ‘স্ট্রীট অফ কোলকাতা’ বলে নয়, যে সকল এই ধরনের কাজ আমাদের চারপাশে হচ্ছে, সেটা সত্যি-ই পজেটিভ, আমাদের সময় এই বিষয় গুলি ছিলো না, আমাদের তাই অনেক সময় লেগে গেছে, কিন্তু এই সকল গ্রুপ বা ওয়ার্কশপ গুলি নতুনদের প্রাথমিক ভাবে পথ দেখাবে বলেই আমার ধারণা। এগুলি হওয়া উচিৎ বলেই আমি মনে করি।

Selected Works:

Facebook Iconfacebook like buttonTwitter Icontwitter follow buttonInstagram Channel